বুধবার, ৩ জুন ২০২৬
মাদক ১১ মার্চ ২০২৬

সেবকের মুখোশে আবু মেম্বার একজন মাদকের অদৃশ্য সেল্টারদাতা

বাগানবাজার গ্রাফ নিউজ ডেস্ক

আমাদের নিকট একটি অভিযোগ আসে, আবু মেম্বারের ভাই মনিরের সরাসরি হস্তক্ষেপে বাগমারা তথা হলুদিয়া, মাস্টারপাড়া ও বাগমারাসহ গ্রামগুলোতে আবু মেম্বার এর ভাগনি জামাই সাইফুল, রিফাত- পিতা: জামাল সকিদার, জাহিদুল- পিতা মরহুম কুদ্দুস ও বাবু -পিতা মরহুম নিজাম এর একটি সঙ্গবদ্ধদল মাদকের রমরমা ব্যবসা করে করে যাচ্ছে।

তারই পরিপেক্ষিতে আমাদের অনুসন্ধানে অভিযোগ পেয়েছি তাদের মুল সেল্টারদাতা আবু মেম্বারের ভাই মনির এবং আবু মেম্বার এর ভাগনি জামাই সাইফুল পাইকারি বিক্রেতা। সাইফুল থেকে পাইকারি দামে মাদক ক্রয় করে ফরহাদ। তারসাথে খুচরা বিক্রেতা হিসেবে রয়েছে রিফাত, জাহিদুল ও বাবুসহ কয়েকজনের একটি গ্যাং। জানা যায় বেশ কিছুদিন আগে রিফাত ইয়াবার টাকার অভাবে সে তার মায়ের লক্ষাধিক টাকার স্বর্ন চুরি করে নিয়ে যায়।

সে-সাথে আরো যায় সাইফুলকে মাদক সরবাহ করে থাকে কাউছার নামে এক ব্যাক্তি। কাউছার কক্সবাজার থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে পুরো বাগানবাজার মাদক কারবারীদের নিকট খুচরা বিক্রয় করে। গত বছর সে মাদক মামলায় গ্রেফতার হয় এবং কয়েকদিনের মধ্যে সে জামিনে বের হয়েও আসেন। স্থানীয়দের দাবি করে, এই কাউছারকে আবু মেম্বার ও তার ভাই মনির জেল থেকে মুক্তি পেতে সহযোগীতা করেন।

স্থানীয়রা আরো দাবি করেন, যদিও আবু মেম্বার প্রকাশ্যে মাদকের বিরুদ্ধে, কিন্তু বাস্তবতায় তিনিই তাদের লালন-পালনকারী। ঐ এলাকাতে মাদেকের যে বড় বড় ব্যবসায়ীগুলো রয়েছে সবগুলোকে তিনি পরোক্ষভাবে সেল্টার দিয়ে থাকেন এবং তার ভাই মনির প্রত্যক্ষভাবে সেল্টার দিয়ে থাকেন। যখন কোনো মাদককারবারীকে প্রশাসন আটক করে তখন তিনি নিজ হস্তক্ষেপে তাদের ছাড়িয়ে আনতে সহযোগীতা করেন।

আমাদের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে বাগানবাজার এর মাদককারবারীদের বিশ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করে আবু মেম্বারের ভাই মনির। তার এই মাদককারবারীরা বাগানবাজারের প্রতিটি পাড়ায়, মহল্লায় ও গ্রামে-গ্রামে মাদক সরবাহ করে থাকেন।

আমরা আমাদের পাঠক ও নীতি-নির্ধারকের নিকট প্রশ্ন রেখেছিলাম, যারা একটি সুন্দর সমাজ গড়ার কারিগর হিসেবে নিজেদের জনগনের সামনে উপস্থাপন করে থাকে, আবার তারাই সেই সমাজকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে আপনি তাদের কিভাবে দেখেন? জনগণের অবস্থান কী হওয়া উচিত? সমাজের স্বার্থে তাদের প্রতি কেমন আচরণ বা জবাবদিহি থাকা প্রয়োজন?

জবাবে, এড.ইউসুফ আলম মাসুদ বলেন- রাজনীতির ছত্র-ছায়ায় সমাজের কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির মাদক সংক্রান্তে দ্বিচারিতা দেখে বিস্মিত হই আন্ডারগ্রাউন্ডে মাদকের সাথে জড়িত থেকে প্রকাশ্যে আবার মাদকবিরোধী লোকদেখানো বক্তব্য দেয় তারা ! সাধারণ মানুষ রাজনীতিবিদের ঘৃণা ও অবিশ্বাস করার সম্ভবত এটিও একটি কারণ ! জনগণ যেহেতু সকল ক্ষমতার উৎস, জনগণের উচিত সমাজকে বসবাসযোগ্য ও সমাজ সংস্কারের জন্যে এই ধরনের লোকদের লাল কার্ড দেখানো ! পরবর্তী প্রজন্মের জন্য নিরাপদ সমাজ বিনির্মানে আমাদের সবার উচিৎ মাদককে না এবং মাদকের সাথে জড়িত সবাইকে না বলা !

একইসাথে পাঠক মোশারফ পারভেজ বলেন- এদেরকে জনগনের এমনভাবে উপস্থাপন করা উচিত যাতে তাদের দ্বিচারিতা মানুষ বুঝতে পারে এবং সামাজিকভাবেও বয়কট করা উচিত। কারণ এরা সমাজকে শুধু একটা ডাস্টবিনে রুপান্তর করতেছে দিনকে দিন।

একই প্রশ্ন আমরা সাবেক চেয়ারম্যান একরামুল হক বাবুল, মহিউদ্দিন এমএ, জসিম মেম্বার সহ আরো অনেককে করেছি। কিন্তু তাহারা আমাদের বার্তাটির উত্তর দেননি।


Ad Banner (300x250)
Ad Banner (300x250)
Ad Banner (300x600)