মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
✕

লগআউট নিশ্চিত করুন

আপনি কি লগআউট করতে চান?

বাগানবাজার গ্রাফ

গ্রাফ অ্যাপ ডাউনলোড করুন

এখন থেকে ব্রাউজার খোলার ঝামেলা ছাড়াই — সরাসরি হোম স্ক্রিন থেকে এক ট্যাপে সব খবর পড়ুন।

বাগানবাজার গ্রাফ

বাগানবাজার গ্রাফ

গ্রাফ অ্যাপ ডাউনলোড করুন

হোম স্ক্রিনে যোগ করতে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন:

১ নিচের শেয়ার বাটনে ট্যাপ করুন
২ "Add to Home Screen" অপশনটি খুঁজে বের করুন
৩ "Add"-এ ট্যাপ করুন — ব্যস, হয়ে গেল!
বাগানবাজার গ্রাফ

গ্রাফ অ্যাপ ডাউনলোড করুন

অ্যাপ ডাউনলোড করতে এটি Chrome ব্রাউজারে খুলতে হবে। নিচের বাটনে ট্যাপ করুন — Chrome খুললে সেখানে আরেকবার "ডাউনলোড করুন" বাটনে চাপ দিলেই হয়ে যাবে।

১ উপরে ডান দিকে ⋯ মেনুতে ট্যাপ করুন
২ "Open in Browser" বা "Open in Safari" নির্বাচন করুন
৩ Safari-তে খুললে ডাউনলোডের অপশন দেখতে পাবেন
অভিযোগ ৬ জুলাই ২০২৬

নতুন বাজারে বালুর ঘাটের বিরোধে বিএনপির কর্মীদের মধ্যে হামলা-ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ

বাগানবাজার গ্রাফ নিউজ ডেস্ক

বাগানবাজার ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের নতুন বাজার এলাকায় বালুর ঘাটের নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে আবারও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। চাঁদা দাবি, হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাগানবাজার ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সাজু চেয়ারম্যানের সময় আলমগীর যুবলীগের একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন এবং সে সময় তিনি বালুর ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তবে তার বাবা জাহাঙ্গীর আলম দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এবং বর্তমানে ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

স্থানীয়দের দাবি, গত ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আলমগীরের বালুর ঘাট দখলের চেষ্টা করেন একই ওয়ার্ডের বিএনপি-সংশ্লিষ্ট জাকির, আকাশ, ইসমাইল ও রায়হানসহ কয়েকজন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তজু পরিবারের সদস্য মুন্নাকে মারধরের অভিযোগও ওঠে জাকিরের বিরুদ্ধে।

এরপর থেকে বালুর ঘাটের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে একাধিকবার উত্তেজনা ও পাল্টাপাল্টি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের ভাষ্য, প্রায় দুই মাস আগে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনার পর জসিম মেম্বারের উদ্যোগে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা করা হয়েছিল।

সর্বশেষ ঘটনায় ভুক্তভোগী পক্ষের অভিযোগ, বালুর প্রতি ফুটে ২ টাকা করে চাঁদা দাবি করা হয়। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে যুবদল নেতা শরীফ, দেলোয়ার এবং নতুন বাজারের জাকির ও রায়হান গ্রুপসহ প্রায় ১০ থেকে ২০ জন সংঘবদ্ধ হয়ে জাহাঙ্গীর আলমের ফার্নিচারের দোকানে হামলা চালায়। হামলাকারীরা দোকানে ভাঙচুর চালিয়ে নগদ অর্থ লুট করে এবং প্রাণনাশ ও দোকানপাটে আগুন দেওয়ার হুমকি দেয় বলেও অভিযোগ করা হয়।

এদিকে অভিযুক্ত জাকির এসব অভিযোগের বিষয়ে বলেন, “তজু পরিবারের প্রায় ১০ জন ছিল, আর রায়হান একা ছিল। তারা রায়হানকে বেধড়ক মারধর করেছে। আমি তখন ঘটনাস্থলে ছিলাম না, বড়বিলে ছিলাম। আমি থাকলে হয়তো ঘটনাটি ঘটত না।” তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থলে দাঁতমারা পুলিশ ফাঁড়ি থেকে এসআই বরকত উল্লাহ উপস্থিত হয়েছিলেন।

এ বিষয়ে দাঁতমারা পুলিশ ফাঁড়ির এসআই বরকত উল্লাহ বলেন, “৯৯৯-এ কল পেয়ে আমরা তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছিলাম। তবে বিষয়টি যেভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, ঠিক সেভাবে ঘটেনি। দুই পক্ষের মধ্যেই কিছু ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটেছে। আমি উভয় পক্ষকে চাইলে ভুজপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছি।”

মতামত

Ad Banner (300x250)
Ad Banner (300x250)
Ad Banner (300x600)

মতামত ০

লগইন করুন
নিভয়ে মতামত দিন — আপনার পরিচয় সুরক্ষিত। মতামতে শুধু আপনার ছদ্মনাম প্রদর্শিত হয়, প্রকৃত নাম কখনো প্রকাশ পাবে না।

এখনো কোনো মতামত নেই। প্রথম মতামত দিন!