গতকাল সন্ধ্যায় চিকনছড়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠসংলগ্ন এলাকায় বাদশা নামে এক যুবককে মারধর করে জখম করার অভিযোগ উঠেছে আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মহিউদ্দিন এমএ’র ভাই নবী, চাচাতো ভাই করিম ও ভাগিনা কামরুলসহ আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে।
স্থানীয়ভাবে জানা যায়, গতকাল লাইমাই এলাকায় মাটি কাটায় বাধা দেন বাদশা। পরবর্তীতে এ ঘটনার জের ধরে সন্ধ্যা আনুমানিক ৮টা ৩০ মিনিটের দিকে নবী, করিম, কামরুলসহ আরও কয়েকজন তাকে বেধড়ক মারধর করেন।
জানা যায়, বাদশাকে মারতে মারতে মহিউদ্দিনের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে নবী, করিম ও কামরুল তাকে মহিউদ্দিনের কাছে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করেন। পরে আরও মারধরের ভয় থেকে রক্ষা পেতে কোনো ভুল না করেও বাদশা মহিউদ্দিনের কাছে ক্ষমা চান।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাদশার এক সহপাঠী বলেন, “মাটি কাটায় বাধা দেওয়ার সময় আমরা আরও ছয়জন সেখানে উপস্থিত ছিলাম। আমরা সবাই সারোয়ার আলমগীরের কর্মী। তবে মহিউদ্দিন পূর্ব থেকেই বাদশাকে তার কর্মী হিসেবে কাজ করার প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। কিন্তু সে রাজি না হওয়ায় তাকে বেধড়ক মারধর করা হয়।”
তিনি আরও বলেন, “ঘটনাস্থলে আমরাও উপস্থিত ছিলাম। কিন্তু বাদশাকে ছাত্রলীগ কর্মী আখ্যা দিয়ে মারধর করা হয়। পরে মহিউদ্দিনের কাছে ক্ষমা চাওয়ার পরও তাকে মহিউদ্দিনের কর্মী হয়ে কাজ করার জন্য চাপ দেওয়া হয়।”
তার দাবি, “মূলত মহিউদ্দিনের কর্মী হয়ে কাজ করতে রাজি না হওয়াতেই বাদশাকে এভাবে মারধর করা হয়েছে।”
স্থানীয়দের দাবি, মহিউদ্দিন ধীরে ধীরে বাগানবাজারে একটি লাঠিয়াল বাহিনী গড়ে তুলছেন। আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জনগণকে ভয়ভীতি প্রদর্শন, মারধর ও বিভিন্নভাবে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগও রয়েছে।
বাদশা ৭ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ হলুদিয়া এলাকার মতিনের ছেলে।