মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
✕

লগআউট নিশ্চিত করুন

আপনি কি লগআউট করতে চান?

বাগানবাজার গ্রাফ

গ্রাফ অ্যাপ ডাউনলোড করুন

এখন থেকে ব্রাউজার খোলার ঝামেলা ছাড়াই — সরাসরি হোম স্ক্রিন থেকে এক ট্যাপে সব খবর পড়ুন।

বাগানবাজার গ্রাফ

বাগানবাজার গ্রাফ

গ্রাফ অ্যাপ ডাউনলোড করুন

হোম স্ক্রিনে যোগ করতে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন:

১ নিচের শেয়ার বাটনে ট্যাপ করুন
২ "Add to Home Screen" অপশনটি খুঁজে বের করুন
৩ "Add"-এ ট্যাপ করুন — ব্যস, হয়ে গেল!
বাগানবাজার গ্রাফ

গ্রাফ অ্যাপ ডাউনলোড করুন

অ্যাপ ডাউনলোড করতে এটি Chrome ব্রাউজারে খুলতে হবে। নিচের বাটনে ট্যাপ করুন — Chrome খুললে সেখানে আরেকবার "ডাউনলোড করুন" বাটনে চাপ দিলেই হয়ে যাবে।

১ উপরে ডান দিকে ⋯ মেনুতে ট্যাপ করুন
২ "Open in Browser" বা "Open in Safari" নির্বাচন করুন
৩ Safari-তে খুললে ডাউনলোডের অপশন দেখতে পাবেন
প্রশাসন ২০ আগস্ট ২০২৬

সুয়াবিলের অন্তর্ভুক্তি ও পশ্চিম ভূজপুরে সদর স্থাপন নিয়ে আদালতের আদেশ, ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার কার্যক্রমে হাইকোর্টের স্থিতাবস্থা

বাগানবাজার গ্রাফ নিউজ ডেস্ক

চট্টগ্রামের নবগঠিত ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্থিতাবস্থা জারি করেছেন হাইকোর্ট। বুধবার (১৯ আগষ্ট) এ আদেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে আদালতের আদেশের কপি এখনো সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হাতে পৌঁছেনি।

জানা গেছে, সুয়াবিল ইউনিয়ন নতুন উপজেলার অন্তর্ভুক্ত থাকবে কি না এবং ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার সদর দপ্তর ভূজপুরের পশ্চিম ভূজপুর মৌজায় স্থাপন করা হবে কি না – এ দুই বিষয়ে স্থিতাবস্থা দিয়েছেন আদালত।

এদিকে ছয়টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত নতুন এ উপজেলা নিয়ে শুরু থেকেই স্থানীয় পর্যায়ে বিরোধ ও অসন্তোষ চলে আসছে। বিশেষ করে সুয়াবিল ইউনিয়নকে নতুন উপজেলার অন্তর্ভুক্ত করা এবং উপজেলা সদর কোথায় স্থাপন করা হবে – এ দুই বিষয়কে কেন্দ্র করে বিভিন্ন এলাকায় মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধের মতো কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয়রা।

ফটিকছড়ি ও ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত হয়েছি তবে এখনো পর্যন্ত আদালতের আদেশের কোনো কপি আমাদের হাতে এসে পৌঁছায়নি। সুয়াবিল ইউনিয়ন উত্তর ফটিকছড়ি উপজেলায় অন্তর্ভুক্ত হবে কি হবে না এবং ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার সদর দপ্তর ভূজপুরের পশ্চিম ভূজপুর মৌজায় হবে কি না – এই দুই বিষয়ের ওপর আদালত স্থিতাবস্থা দিয়েছেন। এছাড়া বাকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। আদেশের কপি হাতে পেলে বিস্তারিত জানানো যাবে।

সরকারের চূড়ান্ত গেজেট অনুযায়ী, বাগানবাজার, দাঁতমারা, নারায়ণহাট, ভূজপুর, হারুয়ালছড়ি ও সুয়াবিল ইউনিয়ন নিয়ে ‘ফটিকছড়ি উত্তর’ উপজেলা গঠন করা হয়েছে। নতুন উপজেলার প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কাঠামোও অনুমোদন করা হয়েছে। এরই মধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), সহকারী কমিশনার (ভূমি) (এসিল্যান্ড)সহ বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাকে পদায়ন করে প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে।

চূড়ান্ত গেজেটে নতুন উপজেলার সদর দপ্তর ভূজপুরের পশ্চিম ভূজপুর মৌজায় স্থাপনের বিষয়টি সামনে আসার পর এ নিয়েও স্থানীয় পর্যায়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। এক পক্ষের দাবি, পশ্চিম ভূজপুরে সদর স্থাপন করলে ভূজপুর ও হারুয়ালছড়িসহ আশপাশের এলাকার মানুষের প্রশাসনিক সেবা গ্রহণ সহজ হবে এবং প্রস্তাবিত উপজেলার প্রশাসনিক কাঠামো দ্রুত কার্যকর করা সম্ভব হবে।

অন্যদিকে, নারায়ণহাট, দাঁতমারা ও আশপাশের এলাকার মানুষের একটি অংশ মনে করেন, ছয় ইউনিয়নের ভৌগোলিক অবস্থান ও যোগাযোগব্যবস্থা বিবেচনায় পশ্চিম ভূজপুরে সদর স্থাপন করলে সব ইউনিয়নের মানুষের জন্য সমান সুবিধা নিশ্চিত নাও হতে পারে। তাদের দাবি, নারায়ণহাট ও দাঁতমারার মধ্যবর্তী অপেক্ষাকৃত কেন্দ্রীয় এলাকায় সদর দপ্তর স্থাপন করা হলে পাঁচ ইউনিয়নের মানুষের যাতায়াত ও প্রশাসনিক সেবা গ্রহণ সহজ হবে।

স্থানীয়দের মতে, কোনো নির্দিষ্ট ইউনিয়ন বা এলাকার প্রতি পক্ষপাত না করে ভৌগোলিক অবস্থান, সড়ক যোগাযোগ, জনসংখ্যা ও সাধারণ মানুষের প্রশাসনিক সেবা গ্রহণের সুবিধা বিবেচনায় নিয়ে সদর দপ্তরের স্থান নির্ধারণ করা উচিত।

অন্যদিকে, সুয়াবিল ইউনিয়নকে ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার অন্তর্ভুক্ত করা নিয়েও দীর্ঘদিন ধরে আপত্তি জানিয়ে আসছেন স্থানীয়দের একটি অংশ। তাদের দাবি, সুয়াবিলের মানুষের দীর্ঘদিনের যোগাযোগ ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড বর্তমান ফটিকছড়ি উপজেলার সঙ্গে বেশি সম্পৃক্ত। নতুন উপজেলার সঙ্গে যুক্ত করা হলে দূরত্ব ও যোগাযোগের কারণে প্রশাসনিক ভোগান্তি বাড়তে পারে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, সুয়াবিল ইউনিয়নকে ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার সঙ্গে যুক্ত করা হলে এখানকার মানুষের প্রশাসনিক ভোগান্তি আরও বাড়বে। ভৌগোলিক অবস্থান ও মানুষের দীর্ঘদিনের যোগাযোগব্যবস্থা বিবেচনায় সুয়াবিলকে বর্তমান ফটিকছড়ি উপজেলার সঙ্গে রাখাই যৌক্তিক।

অন্যদিকে নতুন উপজেলা গঠনের পক্ষে থাকা স্থানীয়দের দাবি, ছয় ইউনিয়নকে নিয়ে উত্তর ফটিকছড়ির প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তোলা হলে দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক ও উন্নয়নগত বৈষম্য কমবে। গেজেট অনুযায়ী কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে নতুন উপজেলার জনগণ দ্রুত প্রশাসনিক সেবা পাওয়ার সুযোগ পাবেন।

এ অবস্থায় সুয়াবিলের অন্তর্ভুক্তি এবং পশ্চিম ভূজপুর মৌজায় সদর দপ্তর স্থাপন – দুই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে হাইকোর্টের স্থিতাবস্থা নতুন উপজেলা বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। তবে সংশ্লিষ্ট ইউএনওর ভাষ্য অনুযায়ী, আদালতের আদেশের কপি হাতে না পাওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে বিস্তারিত প্রশাসনিক অবস্থান স্পষ্ট করা যাচ্ছে না। আদেশের কপি পাওয়ার পর আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, ইতোমধ্যে ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশের পাশাপাশি ইউএনও, এসিল্যান্ডসহ বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাকে পদায়ন করে সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে। এর মধ্যেই সদর দপ্তরের স্থান ও সুয়াবিলের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে হাইকোর্টের স্থিতাবস্থা জারির ঘটনায় নতুন করে আলোচনায় এসেছে ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা গঠন প্রক্রিয়া।

মতামত

Ad Banner (300x250)
Ad Banner (300x250)
Ad Banner (300x600)

মতামত ০

লগইন করুন
নিভয়ে মতামত দিন — আপনার পরিচয় সুরক্ষিত। মতামতে শুধু আপনার ছদ্মনাম প্রদর্শিত হয়, প্রকৃত নাম কখনো প্রকাশ পাবে না।

এখনো কোনো মতামত নেই। প্রথম মতামত দিন!