আপনি কি লগআউট করতে চান?
এখন থেকে ব্রাউজার খোলার ঝামেলা ছাড়াই — সরাসরি হোম স্ক্রিন থেকে এক ট্যাপে সব খবর পড়ুন।
হোম স্ক্রিনে যোগ করতে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন:
অ্যাপ ডাউনলোড করতে এটি Chrome ব্রাউজারে খুলতে হবে। নিচের বাটনে ট্যাপ করুন — Chrome খুললে সেখানে আরেকবার "ডাউনলোড করুন" বাটনে চাপ দিলেই হয়ে যাবে।
ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার ভূজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাজাহান চৌধুরী শিপনসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মারধর, অপহরণের চেষ্টা, প্রাণনাশের হুমকি, জোরপূর্বক খালি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া এবং ফেসবুক লাইভে অপদস্থ করার অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) চট্টগ্রামের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেন ভূজপুর ইউনিয়নের পশ্চিম ভূজপুর এলাকার ক্ষুদ্র কাপড় ব্যবসায়ী মো. হাসেম (৪০)। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-কে নির্দেশ দিয়েছেন বলে মামলার নথি সূত্রে জানা গেছে।
মামলার আসামিরা হলেন—ভূজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাজাহান চৌধুরী শিপন, শওকত ওসমান, আজগর সালেহী, জয়নাল আজহার, মাহিন হাসান, জামাল আজহার, মুহিব্বুল্লাহ আমিনি, খায়রুল বশর, আবু বক্কর, আব্দুর রহিম এবং মাওলানা আবু তালেব।
মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার বিভিন্ন সমস্যা, অনিয়ম ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভিডিও প্রকাশ করে আসছেন। সম্প্রতি একটি রাস্তা সংস্কারকাজ নিয়ে জনপ্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে প্রকাশিত একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে অভিযুক্তরা তার ওপর ক্ষুব্ধ হন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এজাহার অনুযায়ী, গত ১২ জুলাই সকাল সাড়ে ১১টার দিকে একদল ব্যক্তি বাদীর দোকানে গিয়ে তাকে জোরপূর্বক তুলে নেওয়ার চেষ্টা করেন। স্থানীয় লোকজন বাধা দিলে তাকে ভূজপুর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে লাঠিসোঁটা দিয়ে মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
বাদীর দাবি, একপর্যায়ে তাকে কান ধরে উঠবস করানো হয় এবং পুরো ঘটনাটি ফেসবুক লাইভে সম্প্রচার করা হয়। এতে তার সামাজিক সম্মান ক্ষুণ্ন হয়েছে এবং তিনি মানসিকভাবে চরমভাবে অপদস্থ হয়েছেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়া মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, অভিযুক্তদের কয়েকজন জোরপূর্বক ৩০০ টাকার একটি খালি নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে তার স্বাক্ষর নেন। ভবিষ্যতে এ ধরনের ভিডিও প্রকাশ করলে ওই স্ট্যাম্প ব্যবহার করে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হবে বলেও তাকে হুমকি দেওয়া হয় বলে এজাহারে দাবি করা হয়েছে।
ঘটনার পর স্থানীয়দের সহায়তায় ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেওয়ার কথাও মামলায় উল্লেখ করেছেন বাদী। তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমানে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। পাশাপাশি জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়া স্ট্যাম্পের অপব্যবহার রোধ, মানহানির প্রতিকার এবং ঘটনার সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে আদালতের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ভূজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাজাহান চৌধুরী শিপন বলেন, “মামলার বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তাই এ বিষয়ে এই মুহূর্তে কোনো মন্তব্য করতে পারছি না।”
বাদীপক্ষের আইনজীবী আশরাফুল ইসলাম জানান, চট্টগ্রামের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে এবং আদালত বিষয়টি তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার অভিযোগের বিষয়ে অন্য আসামিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তদন্ত শেষে এ বিষয়ে পিবিআইয়ের প্রতিবেদন ও আদালতের পরবর্তী আদেশের ভিত্তিতে বিষয়টির আইনগত অগ্রগতি নির্ধারিত হবে।
এখনো কোনো মতামত নেই। প্রথম মতামত দিন!
আপনি যদি চুপ থাকেন,
আপনার হয়ে কে কথা বলবে?
গ্রাফ ফোরামে লগইন করুন। নির্ভয়ে আপনার মতামত প্রকাশ করুন।
অ্যাকাউন্ট নেই? এখনই যোগ দিন — বিনামূল্যে