ফটিকছড়ির উত্তর উপজেলার বাগানবাজার ইউনিয়নে সংসদ সদস্য সারোয়ার আলমগীরের ছবি ও দলীয় স্টিকারযুক্ত একটি মাইক্রোবাস ব্যবহার করে মাদক পরিবহনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের তীর ভূজপুর থানা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক একরাম এবং বাগানবাজার ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ফয়জল হক সাকিবের বিরুদ্ধে।
স্থানীয় একাধিক বাসিন্দার দাবি, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন চলাকালে প্রচারণার কাজে ব্যবহারের জন্য চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য সারোয়ার আলমগীর একটি মাইক্রোবাস একরামকে উপহার দিয়েছিলেন। গাড়িটিতে বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও সংসদ সদস্য সারোয়ার আলমগীরের ছবি সংবলিত স্টিকার লাগানো রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সপ্তাহে তিন থেকে চার দিন গাড়িটি বাগানবাজার এলাকায় আসে। কখনও বাগানবাজার বাংলো সংলগ্ন এলাকায়, আবার কখনও বাগানবাজার স্কুলের পাশের পাম্প এলাকায় কিংবা বাগানবাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে সেটি অবস্থান করে। এ সময় ছাত্রদল নেতা ফয়জল হক সাকিবকে কয়েকজনের সঙ্গে কিংবা একাই গাড়িটিতে মাদকদ্রব্য উঠিয়ে দিতে দেখা যায় বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে স্থানীয় ছাত্রদলের কয়েকজন নেতা-কর্মীর সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, বিষয়টি নিয়ে এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই নানা অভিযোগ রয়েছে। তাদের ভাষ্য, অনেক স্থানীয় ব্যক্তি বিষয়টি তাদের নজরে এনেছেন। তবে কেন কোনো সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি—এমন প্রশ্নের জবাবে তারা দাবি করেন, অভিযুক্ত সাকিব স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে চলাফেরা করেন।
তাদের দাবি, সাকিবের সঙ্গে বাগানবাজারের বিএনপি নেতা মহিউদ্দিন ও লোকমান,দাঁতমারার বিএনপি নেতা একরাম, বিপ্লবসহ আরও কয়েকজনের ব্যবসায়িক ও ব্যক্তিগত সম্পর্ক রয়েছে। এছাড়া তারা স্থানীয় সংসদ সদস্যের অনুসারী হওয়ায় প্রভাবের কারণে অনেকেই প্রকাশ্যে কথা বলতে ভয় পান বলেও অভিযোগ করেন।
এদিকে স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, বাগানবাজার গার্ডের দোকান এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের উদ্দেশ্যে সাকিব একটি কিশোর গ্যাং গড়ে তুলেছেন। ওই গ্যাংয়ের মাধ্যমে এলাকায় ভয়ভীতি ও প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে নিরাপত্তার শঙ্কায় অনেকেই প্রকাশ্যে মুখ খুলতে চান না।
আরে জুলাই যুদ্ধা সাকিব নাকি
ইদানীং অনেকের কাছে শোনা যাচ্ছে একরাম-সাকিবের মাদক সিন্ডিকেটের কথা। তবে এই গাড়ীটি ব্যবহার করে কিনা জানা নেই।